Home / জাতীয় / সরকারি বিধি উপেক্ষিত দোকানপাট খোলা রাখার সময় বাড়ানো নিয়ে ধূম্রজাল
bdr

সরকারি বিধি উপেক্ষিত দোকানপাট খোলা রাখার সময় বাড়ানো নিয়ে ধূম্রজাল

এসএম দেলোয়ার হোসেন
বৈশ্বিক মহামারি করোনার সংক্রমণরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মার্কেট-শপিংমলসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। কিন্তু সরকারি সেই সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করেই রাজধানীর ব্যস্ততম নিউমার্কেট, নিউ সুপার মার্কেট (দক্ষিণ), চন্দ্রিমা সুপার মার্কেট, ধানমন্ডি হকার্স মার্কেট, গাউছিয়া-চাঁদনীচক মার্কেটসহ ঢাকা দক্ষিণ সিটির বিস্তির্ণ এলাকায় গড়ে ওঠা শপিংমল বিপণি-বিতান রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার ঘোষণা দিয়েছে মার্কেট কমিটির নেতৃবৃন্দ। অভিযোগ উঠেছে, আসন্ন কোরবানির ঈদের অজুহাতে মার্কেটের ভেতর হাঁটা-চলার পথে ফুটপাতে দোকানপাট বসিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে মার্কেট কমিটির নেতৃবৃন্দ। কোন মার্কেটেই মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি।

bdr

একই সঙ্গে রাত ৯টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার ঘোষণা দিয়েও স্থানীয় থানা পুলিশের যোগসাজসে মধ্যরাত পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখছে ব্যবসায়ীরা। ফলে দোকানপাট খোলা রাখার সময় নির্ধারণ নিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। মার্কেট কমিটির নেতৃবৃন্দ বলছেন, ঈদ উপলক্ষে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই দোকানপাট খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঈদের আগ পর্যন্ত প্রতিদিন রাত ১২টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার বিষয়ে মার্কেট কমিটির পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মৌখিক অনুমতি পেয়ে গত সোমবার থেকে প্রতিদিন রাত ৯টা পর্যন্ত মার্কেট খোলা রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কেট কমিটির নেতৃবৃন্দ। পুলিশ বলছে, আসন্ন ঈদ উপলক্ষে মার্কেট, শপিংমল, বিপণী বিতানসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় মালিক সমিতি। ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ পুলিশকে জানিয়েছে, ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয়ে সময় বাড়ানোর আবেদন জানানো হয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে ব্যবসায়ীদের মৌখিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে ব্যবসায়ীরা পুলিশকে জানিয়েছে। কিন্তু মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে এখনও কোন নির্দেশনা পায়নি পুলিশ। এরপরও মানবিক বিবেচনায় মার্কেট খোলা রাখার বিষয়ে পুলিশের মৃদু সমর্থন রয়েছে। তবে মন্ত্রণালয় ও ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষ বলছে, মার্কেটসহ দোকানপাট ও বিপণি-বিতান খোলা রাখার সময় বাড়ানো নিয়ে কাউকে কোন নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে ব্যবসায়ী মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। এতে প্রতিনিয়ত চরম বিভ্রান্তিতে পড়ছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। বুধবার (২৯ জুলাই) ডিএসসিসি’র বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, গত মার্চ মাসে দেশে করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্তের পর করোনার সংক্রমণরোধে গত ২৬ মার্চ থেকে দোকানপাট ও বিপণি-বিতান বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয় সরকার। পরবর্তীতে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর অনুরোধে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গত ১০ মে থেকে সীমিত পরিসরে দোকানপাট চালু রাখার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয় সরকার। তখন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখার সুযোগ দেওয়া হয়। এর আগে দোকান মালিক সমিতিগুলো সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টার পরিবর্তে রাত ৮টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার আবেদন করেছিল। পরে গত ৩০ জুন থেকে ৩ ঘন্টা বাড়িয়ে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখার অনুমতি দিয়ে সময়সীমা নির্ধারণ করে একটি প্রজ্ঞাপনও জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। মার্কেট সবধরনের দোকানপাট ও বিপণি-বিতানগুলোতে বেচাকেনার সময় পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার কথাও বলা হয় ওই প্রজ্ঞাপনে। সরকারের ওই নির্দেশনা অনুযায়ী মার্কেট ও দোকানপাট চালু হওয়ার কিছুদিন পরই পাল্টে যায় নির্দেশনার সেই দৃশ্যপট। সরকারি বিধি উপেক্ষা করেই ব্যবসায়ীরা শুরু করেন বেচাকেনা। জনসচেতনতার জন্য মাঝেমধ্যে পুলিশ-সেনাবাহিনী মার্কেটগুলোর ভেতর প্রবেশ করলে নড়েচড়ে বসতো দোকানিরা। কিন্তু এখন আর স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার সেই নির্দেশনা বাস্তবায়নে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা না থাকায় ক্রেতা-বিক্রেতারা উদাসীন হয়ে পড়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিউ মার্কেট ও নিউ সুপার মার্কেটের একাধিক ব্যবসায়ী জানান, করোনার প্রাদুর্ভাবের মধ্যেও স্থানীয় থানা পুলিশের যোগসাজসে মার্কেট কমিটির নেতৃবৃন্দ মার্কেটের সিঁড়ি, খোলা জায়গায় অস্থায়ী কয়েকশ’ দোকান তৈরি করে হকারদের কাছ থেকে এককালীন ও ভাড়া আদায় বাবদ কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এতে মার্কেটের পরিবেশ বিঘ্ন যার পাশাপাশি সংকুচিত হয়ে গেছে হাঁটা-চলার পথগুলো। মার্কেটে আলো-বাতাস প্রবেশেও প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হচ্ছে। সরু গলি পথের দোকানিরাও দোকানের বাইরেও বাহারী পণ্যের পসরা সাজিয়ে হাঁটা-চলার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এতে প্রায় সময় ক্রেতাদের হাত লেগে পণ্য পড়ে যাওয়ার ঘটনায় দোকানিরা বসচায় লিপ্ত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে এসব মার্কেটগুলোতে করোনার সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
আজ বুধবার দুপুরে ঢাকা নিউমার্কেট, ঢাকা নিউ সুপার মার্কেট (দক্ষিণ), বনলতা কাঁচাবাজার, মুদি মার্কেট, চন্দ্রিমা সুপার মার্কেট, চাঁদনী চক মার্কেট, গাউছিয়া মার্কেট, ধানমন্ডি হকার্স মার্কেট, নুরজাহান প্লাজা, নূর ম্যানশন, ইসমাইল ম্যানশন ও এলিফ্যান্ট রোডের সবকটি মার্কেট, বঙ্গবাজার, গুলিস্তান, ফুলবাড়িয়া মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, সরকারি নির্দেশে মার্কেটগুলোর প্রবেশপথে বসানো জীবাণুনাশক অধিকাংশ টানেলের মাধ্যমে জীবাণুনাশক ছিটানোর পরিবর্তে শুধুই ওয়াসার সাপ্লাই করা পানি ছিটানো হচ্ছে। প্রতিটি টানেলের পাশেই প্লাস্টিকের বড় ড্রামে ভরে রাখা হয়েছে ওয়াসার পানি। আবার কোনটি অকেজো হয়ে রয়েছে। মার্কেটের দোকানগুলোতে শারীরিক দূরত্ব বজার রাখার কথা থাকলেও তা কোন দোকানেই দেখা যায়নি। দোকানগুলোতে আগত দর্শনার্থী বা ক্রেতাকে জীবাণুনাশক স্প্রে করার কথা থাকলেও কোন দোকানেই তা দেখা যায়নি। এভাবেই সরকারি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার দিক নির্দেশনা পালন করছেন না ব্যবসায়ীরা। ক্রেতা-বিক্রেতার মুখে মাস্ক পড়ার নির্দেশনা থাকলেও অধিকাংশরাই মানছেন না সরকারি এ নির্দেশনা। মার্কেটের ভেতর প্রতিটি দোকানের সামনে খোলা জায়গায় আলো-বাতাস প্রবেশ ও হাঁটা-চলার জায়গা থাকার কথা থাকলেও বিভিন্ন দোকানের পণ্যসামগ্রীর মজুদ ও পসরা সাজিয়ে হাঁটা-চলার পথটি সংকুচিত করে রেখেছেন দোকানিরা। গা ঘেঁষেই চলছে বেচাকেনা আর দরদাম হাঁকানো।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ডিএসসিসি’র অধীনস্থ ঢাকা নিউ সুপার মার্কেট (দক্ষিণ) বণিক সমিতির কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে সংগঠনের সভাপতি-সম্পাদক কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান ঢাকা প্রতিদিনকে বলেন, সরকারি বিধি উপেক্ষা করে রাত ৯টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখার বিষয়ে আমরা কোনো ঘোষণা দেইনি। তবে ব্যবসায়ীদের দেওয়া অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, সারাদেশেই গভীর রাত পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখছেন ব্যবসায়ীরা। সরকারি নির্দেশে সন্ধ্যা ৭টার পর দোকান খোলা রাখলে থানা পুলিশ-র‌্যাব এমনকি সেনাবাহিনী মার্কেটে ঢুকে বিধি ভঙ্গের দায়ে দোকানিদের মারধর-জরিমানা করতো। সরকারি নির্দেশনা থাকায় এখন আর থানা পুলিশ-র‌্যাব কিংবা সেনাবাহিনীর কেউ মার্কেটে এসে দোকান খোলা রাখার বিষয়ে কোনো কৈফিয়ত চায় না। তাই আমরা দোকানপাট খোলা রাখছি। স্বাস্থ্যবিধি এবং সিঁড়ি ও খোলা জায়গায় দোকান বসিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি সমিতির নেতা মিজানুর রহমান।
বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ জানায়, আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সন্ধ্যা ৭টার পরিবর্তে রাত ১০ থেকে ১২টা পর্যন্ত মার্কেট, দোকানপাট বিপণি-বিতান খোলা রাখার জন্য অনুমতি চেয়ে গত ৫ জুলাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে আবেদন জানানো হয়। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েও আবেদন করা হয়। ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর এমন দাবির প্রেক্ষিতে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ থেকে সময় বাড়ানোর এমন অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে গণমাধ্যমের কাছে দাবি করেছেন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক আবেদনপত্রে সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন উল্লেখ করে বলেন, পবিত্র রমজান মাসে দোকানপাট বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করতে পারেননি। এতে তারা বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। আসন্ন কোরবানির ঈদ সামনে রেখে দোকানপাট বেশি সময় খোলা রাখার ব্যবস্থা করলে ব্যবসায়ীরা কিছুটা হলেও সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সক্ষম হবেন।
হেলাল উদ্দিন জানান, আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে মৌখিকভাবে রাত ৯টা পর্যন্ত দোকানপাট ও বিপণিবিতান খোলা রাখার বিষয়ে সবুজসংকেত দিয়েছে। তাই সারা দেশের ব্যবসায়ীদের বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে ঈদের পর নতুন নির্দেশনা না আসলে আগের মতো ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি আগের মতোই রয়েছে।
এদিকে নিউমার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি দেওয়ান আমিনুল ইসলাম বলেন, গত মঙ্গলবার থেকেই নিউমার্কেট রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখা হয়েছে। তিনি জানান, দোকান মালিক সমিতির সভাপতি ও স্থানীয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমাদের মার্কেট খোলা রাখা সময় বৃদ্ধির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ বিষয়ে নিউমার্কেট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) স ম কাইয়ুম ঢাকা প্রতিদিনকে বলেন, সরকারি নির্দেশনায় সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকার কথা থাকলেও ব্যবসায়ীদের অনুরোধ আর আবেদনের প্রেক্ষিতে মানবিক বিবেচনায় ঈদের আগের দিন রাত ৯টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার বিষয়ে মৃদু সম্মতি দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা আমাকে জানিয়েছে, ঈদ উপলক্ষে দোকান খোলার সময় বাড়ানোর বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে। তবে ওই আবেদন মঞ্জুর হয়েছে কিনা আমি জানি না এমনকি এ বিষয়ে কোথাও থেকে কোন নির্দেশনাও আমি পাইনি।
এ ব্যাপারে ডিএসসিসি’র জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবু নাসের ঢাকা প্রতিদিনকে বলেন, দোকান খোলা রাখার সময় বাড়ানোর বিষয়ে ডিএসসিসি’র পক্ষ থেকে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে ব্যবসায়ীদের কোন আবেদনও ডিএসসিসিতে পাওয়া যায়নি।
এদিকে করোনার মহামারির মধ্যে দোকান খোলা রাখার সময় বাড়ানোর বিষয়ে জানতে চেয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করা হলে জনসংযোগ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিক ঢাকা প্রতিদিনকে বলেন, আসন্ন ঈদ উপলক্ষে দোকান খোলা রাখার সময় বাড়ানোর বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা বা অনুমতি দেওয়া হয়নি। কোনো ব্যবসায়ী সংগঠনের করা আবেদনও এখানে জমা পড়েনি।
এমন পরিস্থিতিতে দোকান খোলা রাখার সময় বাড়ানো নিয়ে ব্যবসায়ীসহ সাধারণ জনমনে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। বিভ্রান্তিতে পড়ছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা।

Loading...

Check Also

ডিএসসিসি কোরবানির ১৪ হাজার ৯২১ টন বর্জ্য অপসারণ করেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা প্রতিদিন.কম : ঈদুল আজহার দিন শনিবার (১ আগস্ট) থেকে তৃতীয় দিন সোমবার ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *