Home / ফোকাস / মৃত্যুপুরী ইতালিতে ছয় হাজার লোকের প্রাণহানি

মৃত্যুপুরী ইতালিতে ছয় হাজার লোকের প্রাণহানি

নিজস্ব প্রতিবেদক

মহামারি করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) বিশ্বব্যাপী সাড়ে ১৬ হাজারের অধিক লোকের প্রাণহানি ঘটেছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রাণঘাতী ভাইরাসটির থাবায় ইউরোপের দেশ ইতালিতে মৃতের সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সঙ্গে দেশটিতে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যাও।

ইতালির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য মতে, মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে আরও ৬০১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এ নিয়ে ইউরোপের দেশটিতে মোট মৃতের সংখ্যা ৬ হাজার ৭৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত এটাই যে কোনো দেশের জন্য সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড।

মৃত্যুপুরীতে পরিণত হওয়া ইতালি এরই মধ্যে সর্বোচ্চ মৃত্যুর তালিকায় করোনার উৎসস্থল চীনকেও ছাড়িয়ে গেছে। তাছাড়া দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যাও ইতোমধ্যে ৬৩ হাজার ৯২৭ জন ছাড়িয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছে স্থানীয় সরকার।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, উৎপত্তিস্থল চীনের সীমা অতিক্রম করে এর মধ্যে বিশ্বের অন্তত ১৯৫টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস। বিশ্বব্যাপী ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৩ লাখ ৭৯ হাজারের অধিক মানুষ। আর করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যাও এরই মধ্যে ১৬ হাজার ৫২৪ জনে পৌঁছেছে।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাস মানুষ ও প্রাণীদের ফুসফুসে সংক্রমণ করতে পারে। ভাইরাসজনিত ঠান্ডা বা ফ্লুর মতো হাঁচি-কাশির মাধ্যমে মানুষ থেকে মানুষে ছড়িয়ে পড়ছে এই ভাইরাস। ভাইরাসটিতে সংক্রমিত হওয়ার প্রধান লক্ষণগুলো হলো- শ্বাসকষ্ট, জ্বর, কাশি, নিউমোনিয়া ইত্যাদি। তাছাড়া শরীরের এক বা একাধিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিষ্ক্রিয় হয়ে আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে।

 

বর্তমানে সবচেয়ে আতঙ্কের বিষয় হলো ভাইরাসটি নতুন হওয়ায় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি। ভাইরাসটির সংক্রমণ থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় সংক্রমিত ব্যক্তিদের থেকে দূরে থাকা। তাই মানুষের শরীরে এমন উপসর্গ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

Loading...

Check Also

যখনই সম্ভব আটকে পড়া নাগরিকদের ফিরিয়ে আনা হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা প্রতিদিন.কম : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেছেন, যখনই পরিস্থিতি তৈরি হবে ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *