Home / অর্থ-বাণিজ্য / সবজি ও মাছের দাম চড়া, কমেছে ব্রয়লার মুরগির দাম

সবজি ও মাছের দাম চড়া, কমেছে ব্রয়লার মুরগির দাম

অর্থনীতি ডেস্ক, ঢাকা প্রতিদিন.কম : ইলিশ ধরা ও বিক্রিতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকায় বাজারে ইলিশ নেই। যার কারণে ভোক্তার কাছে অন্যান্য মাছের চাহিদা বাড়তে শুরু করেছে। এতে বিক্রেতারা সুযোগ বুঝে বাড়িয়ে দিয়েছেন দাম।

রাজধানীর বাজারগুলোতে বৃহস্পতিবার বিভিন্ন ধরনের মাছ কেজিতে ১০-৫০ টাকা বাড়তি দরে বিক্রি হয়েছে। এ ছাড়া বাজারে সবজির দামও বেশ চড়া ছিল। তবে পেঁয়াজ ও ব্রয়লার মুরগির দাম কিছুটা কমেছে।

তাছাড়া চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, গরু ও খাসির মাংসের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। এ দিন রাজধানীর নয়াবাজার, শান্তিনগর, কাঁচাবাজার ও কারওয়ান বাজার ঘুরে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

বাজারের মাছ বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি কেজি তেলাপিয়া বিক্রি হয়েছে ১৫০-১৬০ টাকায়, যা গত চার দিন আগে বিক্রি হয়েছে ১৪০-১৫০ টাকায়। পাঙ্গাশ বিক্রি হয়েছে ১৬০ টাকা কেজি, যা দাম বাড়ার আগে ১৪০-১৫০ টাকায় পাওয়া গেছে। চাষের রুই কেজি ৪০০ টাকা, যা চার দিন আগে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। পাবদা বিক্রি হয়েছে ৬৫০-৭৫০ টাকা কেজি, আগে ৬০০-৭০০ টাকা ছিল। টেংরা বিক্রি হয়েছে ৬০০-৭০০ টাকা কেজি, শিং ৪০০-৫৫০ টাকা, বোয়াল ৫০০-৭০০ টাকা, চিংড়ি ৬০০-৮০০ টাকা ও চিতল ৫০০-৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে।

কারওয়ান বাজারের মাছ বিক্রেতারা মো. লাবু মিয়া বলেন, বাজারে ইলিশের রাজত্ব শেষ। তাই ক্রেতারা অন্যান্য মাছ কিনছেন, চাহিদা বেড়েছে। আর চাহিদাকে কেন্দ্র করে আমরাও বেশি করে অন্য মাছ আড়ত থেকে কিনে আনছি। আড়তদাররা দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। যে কারণে আমাদেরও একটু বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

এদিকে বাজারে সব ধরনের সবজি বিক্রি হয়েছে চড়া দামে। বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাজারে শিম বিক্রি হয়েছে ১১০-১২০ টাকা কেজি। একটু বড় আকারের শিম বিক্রি হয়েছে ১৩০-১৩৫ টাকা। এছাড়া প্রতি পিস ফুলকপি বিক্রি হয়েছে ৪০-৫০ টাকায়। একটু বড় সাইজের ফুলকপি ৬০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। মুলা বিক্রি হয়েছে ৬০-৬৫ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহে ৫৫-৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ছোট আকারের লাউ বিক্রি হয়েছে ৭০-৮০ টাকা পিস। পাকা টমেটো মান ও আকারভেদে বিক্রি হয় ১০০-১৩০ টাকা কেজি, প্রতি কেজি গাজর বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা, করলা বিক্রি হয়েছে ৬০-৭০ টাকা কেজি।

নয়াবাজারের সবজি বিক্রেতা মো. মকবুল হোসেন বলেন, বাজারে সবজির দাম চড়া। কারণ টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে সবজি আনার সময় নষ্ট হয়েছে। এছাড়া হঠাৎ বন্যায় মাঠের সবজিও নষ্ট হয়েছে। এখনও মাঝে মাঝে বৃষ্টি হচ্ছে। এতে পাইকারি আড়ত থেকে খুচরা বাজারে আনতে বেশি টাকা খরচ হচ্ছে। তাই বিক্রিও করতে হচ্ছে বেশি দামে। বাজারে হঠাৎ বেড়ে যাওয়া পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। রাজধানীর বাজারগুলোতে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৭৫ টাকা কেজি দরে। তবে একটু ভালোমানের দেশি পেঁয়াজ ৮০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। এছাড়া ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৭০-৭৫ টাকা কেজি। মিয়ানমারের পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৭০ টাকা।

এদিকে গত সপ্তাহের মতো ফার্মের মুরগির ডিম প্রতি হালি বিক্রি হয়েছে ৪০ টাকায়। তবে কমেছে ব্রয়লার মুরগির দাম। এ দিন বাজারে এক কেজি ওজনের ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে ১৩০-১৩৫ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ১৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। লাল লেয়ার মুরগি ২২০-২৩০ টাকা কেজি, পাকিস্তানি কক ২২০-২৫০ টাকা কেজি, গরুর মাংস ৫৫০-৫৭০ টাকা কেজি ও খাসির মাংস ৭৫০-৮৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

ঢাকা প্রতিদিন.কম/এআর

Loading...

Check Also

তুরস্ক ন্যাটোর মূল অংশীদার : জার্মানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ঢাকা প্রতিদিন.কম : তুরস্ক ন্যাটোর মূল অংশীদার বলে জানিয়েছেন জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাইকো মাস। ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *