Home / তথ্য প্রযুক্তি / কেয়ার টিউটরস পূর্ণ করলো সাত বছর

কেয়ার টিউটরস পূর্ণ করলো সাত বছর

তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক, ঢাকা প্রতিদিন.কম : শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মাঝে সেতুবন্ধন রচনাকারী অনলাইনভিত্তিক টিউশন সাইট কেয়ার টিউটরস সাত বছর পূর্ণ করে অষ্টম বর্ষে পদার্পণ করলো। শিক্ষাসহায়ক এ প্রতিষ্ঠানটির সাত বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বুধবার এ উপলক্ষে রাজধানীর উত্তরায় কেয়ার টিউটরসের প্রধান কার্যালয় মিলনমেলায় পরিণত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মতিন ইমন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মাসুদ পারভেজ রাজু, হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট গাজী মোহাম্মাদ কামরুল ইসলামসহ আরও অনেকে।

প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মতিন ইমন বলেন, দেশের একটি স্মার্টআপ প্রতিষ্ঠান সাত বছর সফলভাবে অতিক্রম করেছে, এটি একটি বিস্ময়কর ব্যাপার। অনেকেই শুরুতেই ঝরে পড়ে। কেয়ার টিউটরসের উদ্যোক্তারা ব্যতিক্রম। তারা অদম্য সাহসের সঙ্গে এগিয়ে গেছেন। এটা একটা সফল স্টার্টআপ- এটা স্বীকার করতেই হবে।

প্রধান নির্বাহী মাসুদ পারভেজ রাজু বলেন, শুরুতে পথ চলা অনেক কঠিন ছিলো, যা আমরা অতিক্রম করেছি। এখন দেশের সব বিভাগীয় শহরে আমাদের সার্ভিস রয়েছে। ভবিষ্যতে প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন কেয়ার টিউটরসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত টিউশনিসহ অন্যান্য সুবিধা পায় সেদিকে আরও ভালোভাবে আমরা নজর দেব।

তিনি আরও বলেন, দেশে বেকারের সংখ্যা অনেক। দিন দিন সংখ্যা আরও বাড়ছে। এজন্য আমরা টিউশনিকে এমন একটা পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাই, যাতে মনে হয় টিউশনি হবে একটা জব। কারণ একজন যদি মাসে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা টিউশনি করে আয় করতে পারে তাহলে অনেকেই জবের দিকে আর যাবে না। অনুষ্ঠানে অনেক শিক্ষক কেয়ার টিউটরস নিয়ে তাদের অভিমত, পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

উল্লেখ্য, কেয়ার টিউটরসের ওয়েবসাইটের (https://caretutors.com/) পাশাপাশি অ্যাপও (https://play.google.com/store/apps/details?id=com.caretutors) রয়েছে। অ্যাপ ব্যবহার করে একজন টিউটর তার শিক্ষার্থীর বাসার লোকেশনের ১০০ মিটার পর্যন্ত দেখতে পাবেন যা তাকে শিক্ষার্থীর বাসার লোকেশন সম্পর্কে সঠিক ধারণা দেবে। এছাড়া রয়েছে অনেক সুবিধা।

ঢাকা প্রতিদিন.কম/এআর

Loading...

Check Also

ভোলার ঘটনা নিয়ে ফেসবুকে রঙ ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা প্রতিদিন.কম : ভোলার ঘটনা নিয়ে শান্তি বিনষ্টের উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রঙ ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *