Home / জাতীয় / রাজধানীতে ডেঙ্গু বিস্তারের নেপথ্যে উদাসীনতা

রাজধানীতে ডেঙ্গু বিস্তারের নেপথ্যে উদাসীনতা

 

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানী ঢাকার দুই সিট করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া বিস্তারের নেপথ্যে ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের উদাসীনতা আর দায়িত্বহীনতার অভিযোগ উঠেছে। মশক নিধনে কাজ করা সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোর দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তুলে মশকনিধন কর্মীদের দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে নিয়েছিলেন রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি ও ডিএনসিসি) ওয়ার্ড কাউন্সিলররা। সে অনুযায়ী কর্মীদের বেতন ও হাজিরা নির্ধারণসহ তাদের নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বও দেয়া হয় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের ওপর। কিন্তু দায়িত্ব গ্রহণের পরই রাজনৈতিক ও দলীয় কর্মসূচিতে ব্যস্ততার অজুহাত দেখিয়ে মশক নিধনের এ কাজে নিরুৎসাহিত থেকে উধাও হয়ে পড়েন তারা। শুধু তাই নয়, মশার ওষুধ চুরি, কর্মীদের সঙ্গে লিয়াজোঁ করে বেতনের টাকা ভাগাভাগিসহ নানা অভিযোগ উঠেছে রাজধানীর দুই সিটির অধীনস্থ বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মূলত রাজধানী ঢাকার দুই সিটি এলাকার মশা নিধনের দায়িত্বে ছিল মশক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর। কিন্তু অধিদফতরটির ব্যর্থতার পর এর দায়িত্ব নেয় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ। এরপর যৌথভাবে মশক নিধনে কাজ শুরু করলেও দু’টি সংস্থার সমন্বয়হীনতা আর অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে সময়ের ব্যবধানে সেই কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়ে। এরপর দায়িত্ব দেয়া হয় দুই সিটির ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের ওপর। দায়িত্ব নেয়ার পরই ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের উদাসীনতা আর ওষুধ বিক্রিতে সিন্ডিকেটের বেড়াজালে তৎপর হয়ে ওঠার পর থেকেই নগরীতে চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গু রোগ বিস্তারে এডিস মশা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, পর্যাপ্ত জনবল, অর্থ বরাদ্দ ও ওষুধসহ ফগার মেশিন না থাকায় প্রতিনিয়ত কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। আজ বৃহস্পতিবার নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে নগরবাসীসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
সংশ্লিষ্টরা জানায়, ঢাকার বিভিন্ন এলাকার মশক নিধনের দায়িত্ব ছিল মশক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর কর্তৃপক্ষের। কিন্তু দিনের পর দিন কর্তৃপক্ষের অসহযোগিতা, অব্যবস্থাপনা আর ওষুধ বিক্রির মতো নানা ধরণের অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে সংস্থাটির ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলেন নগরবাসী। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এর দায়িত্বভার গ্রহণ করে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ। মশক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মোট জনবলের সঙ্গে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নিজস্ব কিছু জনবল যুক্ত করে যৌথভাবেই নগরীর মশা নিবারণের কাজ শুরু করা হয়। এতে ওষুধসহ সব ধরনের সুবিধা প্রদান করে দুই সিটি করপোরেশন। কিন্তু সংস্থা দু’টির ঢিলেমি ও অনিয়ম-দুর্নীতি আর অবহেলার কারণে কোনোভাবেই মশা নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যোগসাজশে মশক নিধনের ওষুধ নিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বাড়ির মালিকদের কাছে বিক্রি করে দিচ্ছেন মশককর্মীরা। আবার অনেকেই টাকা নিয়ে ধনাঢ্য বাড়িওয়ালাদের বাড়িতে স্প্রে করেন। মশা উৎপাদনের স্থানগুলো চিহ্নিত থাকলেও তার আশপাশ দিয়েও যান না মশকনিধন কর্মীরা। আর এর তদারকি তো দুরের কথা মশকনিধন কর্মীদের দৈনন্দিন হাজিরা ছাড়া তাদের কার্যক্রমের কোন খোঁজ-খবরও রাখেন না সংশ্লিষ্টরা। এজন্য দিন দিন বাড়ছে মশাবাহিত নানা রোগব্যাধি ও মশার প্রজনন ক্ষেত্র। নগরবাসীর পক্ষ থেকে এমন অভিযোগ ওঠার পর মশকনিধন কর্মীদের নিয়ন্ত্রণের জন্য আবেদন করেন ঢাকার দুই সিটির ওয়ার্ড কাউন্সিলররা। একাধিক কাউন্সিলরের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৭ সালের জুলাই থেকে প্রতিটি ওয়ার্ডের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের পাশাপাশি মশকনিধন কর্মীদেরও দায়িত্ব দেয়া হয় কাউন্সিলরদের ঘাড়ে। কিন্তু ওই বছর চিকুনগুনিয়া ও চলতি বছর ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। দায়িত্ব নেয়ার পরই মশকনিধন কর্মীদের দৈনন্দিন হাজিরা ছাড়া তাদের কার্যক্রমের কোন খোঁজ-খবরও রাখেন না সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা।
নগরবাসী জানান, যেসব অভিযোগের ভিত্তিতে ওয়ার্ড কাউন্সিলদের হাতে মশকনিধন কর্মীদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে সেই একই অভিযোগে জড়িয়ে পড়ছেন ওয়ার্ড কাউন্সিলররা। ফলে মশকনিধন নয়, নগরজুড়ে বাড়ছে এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্র। বাড়ছে চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই সিটি’র একাধিক মশক নিধনকর্মী জানান, মশার ওষুধ সংশ্লিষ্ট এলাকার ওয়ার্ড কাউন্সিলরের বাসা কিংবা অফিস থেকে সংগ্রহ করতে হয়। তাদের ওখানে গিয়ে আগে হাজিরা দিতে হয়। তারা যে ওষুধ দিয়ে থাকেন সেই ওষুধই ব্যবহার করেন। অনেক ওষুধ তারা রেখে দেন। পরে সেগুলো বিভিন্ন মশার কয়েল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কাছেও বিক্রি করে দেয়া হয়। এছাড়া ওষুধের মান যাচাই-বাছাইয়ের দায়িত্বও তাদের ওপর বর্তায় না। ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের নির্দেশনা অনুযায়ী পাড়া-মহল্লায় গিয়ে লোক দেখানো ওষুধ ছিটিয়ে দৈনন্দিন কার্যক্রমের ইতি টানেন। সংশ্লিষ্টরা জানায়, এমন চিত্র রয়েছে খোদ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫৬ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায়। ওই ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকা কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন। দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকেই ক্ষমতার অপব্যবহার করে পাড়া-মহল্লাভিত্তিক গড়ে তুলেছেন লাঠিয়াল, দাঙ্গা বাহিনী, ফিটিং পার্টি এমনকি কিশোর গ্যাং গ্রুপের ক্যাডার বাহিনী। একই সঙ্গে নাগরিক সুবিধা বঞ্চিত রয়েছে এ ওয়ার্ডের লাখ লাখ বাসিন্দা। বুড়িগঙ্গার শাখা খালের ওপরই দিনরাত ফেলা হচ্ছে বাসা-বাড়ির এবং কারখানার বর্জ্য। প্রতিবছর কোরবানির ঈদ গেলেও অদ্যবধি দুর্গন্ধ দূরীকরণে কখনো পাড়া-মহল্লায় এমনকি অলি-গলি আর ড্রেনে ছিটানো হয়নি বিøচিং পাউডার। গেলো কোরবানির ঈদের প্রায় ৩-৪ দিন পর বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়াদের অব্যাহত তাগিদের কারণে পাড়া-মহল্লার বাসা-বাড়ি থেকে ময়লা অপসারণ করে পরিচ্ছন্ন কর্মীরা। স্থানীয়রা জানান, প্রতি মাসেই প্রতিটি বাড়ি থেকে ময়লা নেয়া বাবদ ঘর প্রতি ৫০ থেকে ১০০ টাকা করে আদায় করে নেয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেনের মনোনীত প্রতিনিধি ময়লা জয়নাল ও তার লোকজন। প্রতিদিন রাস্তা ও বাসা-বাড়ির ময়লা অপসারণ করার কথা থাকলেও নানা অজুহাত দেখিয়ে সপ্তাহে মাত্র ২ দিন ময়লা অপসারণ করেন মাঠ পর্যায়ের পরিচ্ছন্ন কর্মীরা। এ ব্যাপারে কেউ কিছু বললেই তার ওপর নেমে আসে জুলুম-নির্যাতন। সড়ক বাতিও ঠিকমত জ্বলে না। এ ওয়ার্ডের জনগণ সব সময়ই নাগরিক সব ধরণের সুবিধা বঞ্চিতসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত রয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা। স্থানীয়দের ধারণা, ডিএসসিসি থেকে নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতকল্পে এবং স্বাস্থ্য ও জনসেবার কাজে ব্যবহৃত প্রয়োজনীয় যা কিছুই ৫৬ নম্বর ওয়ার্ডে বরাদ্দ দেয়া হয়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে তা হয়তো লোকচক্ষুর আড়ালে বাইরে বিক্রি করে দেয় স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও তার প্রতিনিধিরা। জনস্বার্থে বিষয়গুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এ ব্যাপারে জানতে চেয়ে ৫৬ নম্বর ওয়ার্ড কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেনকে পাওয়া যায়নি। তার মুঠোফোনে কল দেয়া হলেও তিনি তা রিসিভ না করায় তার কোন বক্তব্য মেলেনি।
সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, আগে মশক নিধন কর্মীদের নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব ছিল দুই সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগের। কিন্তু বর্তমানে সে দায়িত্ব পালন করছেন কাউন্সিলররা। মশক নিধনকর্মীরা প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে ১১টা পর্যন্ত লার্ভিসাইডিং ও বিকাল ৪টা হতে ৬টা পর্যন্ত অ্যাডাল্টি সাইডিং করেন। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে কোনও কাউন্সিলরই কাজে উপস্থিত থাকেন না। সকালে যখন ওষুধ ছিটানো হয় তখন তারা থাকেন ঘুমে। আর বিকালে থাকেন নিজেদের কাজকর্মে ব্যস্ত। ফলে মাঠকর্মীদের খবর নেয়ার সেই সুযোগ পান না কাউন্সিলররা।
দায়িত্ব পাওয়ার আগে কাউন্সিলররা দুই সংস্থার একাধিক বোর্ড সভায় বলেছিলেন, আমরাই নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। যেকোনও দুর্ভোগের জন্য আমরাই জনগণের কাছে জবাবদিহি করি। কর্মকর্তাদের দুর্নীতির দায় আমরা নেবো কেনো? তাদের কারণেই নগরবাসী মশার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাচ্ছে না। পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মতো মশা নিধনকর্মীদের দায়িত্বও আমাদের দিতে হবে। আমাদের তত্ত্বাবধানে দেওয়া হলে নগরীতে মশার উপদ্রব আর থাকবে না। এজন্য একাধিক কাউন্সিলর মেয়রের কাছে আবেদনও করেছেন। কাউন্সিলরদের এমন দাবির পর বিষয়টি নিয়ে অভ্যন্তরঢু সভা করে মশক নিধনকর্মীদের বেতনভাতাসহ পূর্ণ নিয়ন্ত্রণেরও দায়িত্ব দেয়া হয় কাউন্সিলরদের হাতে।
সাধারণ নাগরিকরা জানান, একজন কাউন্সিলর তার ওয়ার্ডের সবকিছু জানেন। কোথায় কীভাবে ওষুধ প্রয়োগ করতে হবে তারা ভালো বোঝেন। কোথায় মশার লার্ভা আছে, কোথায় নেই তাও তারা জানেন। প্রতিদিন তারা যদি ওয়ার্ডের অন্তত একটি গলিতে কাজ করেন তাহলে এই শহরে ডেঙ্গু মশার আস্তানা থাকতে পারে না। কিন্তু কারো সেদিকে নজর নেই।
আমরা ঢাকাবাসী’র সভাপতি মো. শুকুর সালেক জানান, একজন কাউন্সিলর চাইলে তার ওয়ার্ডের জন্য অনেক কিছু করতে পারেন। তার সেই ক্ষমতা আছে। তিনি নাগরিকদের সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ করতে পারেন। মতবিনিময় করতে পারেন। সচেতনতামূলক কাজ করতে পারেন। প্রতিদিন যদি একটি সড়ককে বেছে নেন, তবে অনেক কিছু হয়ে যায়। কিন্তু করা হয় না। তারা আন্তরিক না। তারা চাইলে ওয়ার্ডের নাগরিক ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করতে পারেন। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, সিটি করপোরেশনের নিজস্ব যেসব মশককর্মী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী আছেন তাদের মনিটরিংটাও যদি সঠিকভাবে করা হয় তাহলে নগরবাসীকে এই দুর্ভোগে পড়তে হয় না।
মশকনিধন কর্মী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা কাউন্সিলরদের হাতে দেয়ার দাবি উত্থাপনকারীদের অন্যতম ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন আহমেদ রতন। এ ব্যাপারে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, মশা নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের দায়িত্ব কাউন্সিলরদের দেয়া হয়েছে ঠিকই। কিন্তু তাদেরকে কি সেই সব সাপোর্ট দেয়া হয়েছে? কাউন্সিলরদের নির্ধারিত কোনো কার্যালয় নেই। বসার জায়গা নেই। কম্পিউটার নেই। মনিটরিং করার কোন ব্যবস্থাও নেই। গ্রামের একটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের অফিসেও এসব আছে। অথচ তাদের ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের কিছুই নেই।
কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন আহমেদ রতন বলেন, আমরা বলেছি, প্রতিটি কর্মীদের ডিজিটাল হাজিরা নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে কে কখন আসলো কখন গেলো, কাজ করলো কি করলো না সবই ধরা যাবে। এখন তো এসব মনিটরিং বা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।
এদিকে ঢাকা উত্তর সিটির প্যানেল মেয়র আলেয়া সারোয়ার ডেইজী বলেন, কাউন্সিলরদের সঙ্গে আমি মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের তদারকির দায়িত্বে রয়েছি। কিন্তু আসলে আমি কাজ করছি কিনা, আমাকে মনিটরিং করার দায়িত্ব কারও নেই। আগে সেটা করতে হবে। আমি বিষয়টি একাধিকবার মেয়রকে বলেছি। কিন্তু কাজ হয়নি। আমার দায়িত্ব বলে যাওয়া, সেটি করে যাচ্ছি। তবে নগরবাসী যেসব অভিযোগ তুলেছে, তা গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান ডিএনসিসি’র প্যানেল মেয়র আলেয়া সারোয়ার ডেইজী।

Loading...

Check Also

ক্যাসিনো বন্ধে অভিযান শুরু করবে পুলিশ

  নিজস্ব প্রতিবেদক রাজধানীতে অবৈধ জুয়ার আড্ডা, ক্যাসিনো বন্ধে র‌্যাব অভিযান শুরু করেছে পুলিশও করবে ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *