Home / অপরাধ / মামা বাড়িতে বেড়াতে এসে যুবতী গণধর্ষণের শিকার

মামা বাড়িতে বেড়াতে এসে যুবতী গণধর্ষণের শিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা প্রতিদিন.কম ১৫ মে : বরিশালের মুলাদীতে মামা বাড়িতে বেড়াতে এসে এক যুবতী গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। সোমবার (১৩ মে) রাতে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের জালালপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের দড়িচর লক্ষ্মীপুর গ্রামের এক যুবতী সোমবার সকালে পাশের পাইতিখোলা এলাকায় মামা বাড়িতে বেড়াতে যায়। পূর্ব পরিচয়ের সূত্রধরে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের ঘোষেরচর গ্রামের আদারী খানের ছেলে ইজিবাইক চালক নজরুল ইসলাম খান কথা আছে বলে ওই যুবতীকে ইজিবাইকে ওঠায়। পরে সহযোগীদের সঙ্গে নিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে যুবতীকে জালালপুর গ্রামে একটি কলাবাগানে নিয়ে যায়।

সেখানে তার সহযোগী জালালপুর গ্রামের দেলোয়ার খানের ছেলে ফয়সাল খান, বজলু সিকদারের ছেলে রাব্বী সিকদার, হযরত আলী সরদারের ছেলে রনি সরদার ওই যুবতীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। রাত সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয়রা টের পেয়ে আপত্তিকর অবস্থায় তিন ধর্ষককে আটক করে এবং ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে স্থানীয় দফাদার আবু হানিফ ও চৌকিদার আমিনুল ইসলামের হাতে সোপর্দ করে।

দফাদার ও চৌকাদার ধর্ষকদের কাছ থেকে মুচলেকা রেখে তাদের ছেড়ে দেয় এবং ধর্ষিতাকে তাদের জিম্মায় রেখে থানায় সংবাদ দেয়। মঙ্গলবার সকালে মুলাদী থানার এএসআই রুহুল আমিন ও জহিরুল ইসলাম জালালপুর গ্রামে পৌঁছে ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে এবং ওই গ্রামের বিভিন্ন বাড়ি থেকে ছয়জনকে আটক করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে সম্পৃক্ততা না পেয়ে তিনজনকে ছেড়ে দেয়া হয়।

এ ঘটনায় ধর্ষিতার পিতা বাদী হয়ে ধর্ষক ফয়সাল খান, রাব্বী সিকদার, রনি সরদার ও নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। সংবাদ পেয়ে বরিশাল জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাইমুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং ধর্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

মুলাদী থানার অফিসার ইনচার্জ জিয়াউল আহসান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, গণধর্ষণের সঙ্গে জড়িত বাকি একজনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

ঢাকা প্রতিদিন.কম/এআর

Loading...

Check Also

স্পিনেই অষ্ট্রেলিয়ার ভাগ্য দেখছেন পন্টিং

ক্রীড়া ডেস্ক, ঢাকা প্রতিদিন.কম ২৪ মে : ১৯৯৬ থেকে ২০১১ পর্যন্ত পাঁচটি বিশ্বকাপ খেলেছেন তিনি। ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *