Home / খেলাধুলা / ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ‘সেই বক্তব্যটি’ আসলেই কি মাশরাফির?

ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ‘সেই বক্তব্যটি’ আসলেই কি মাশরাফির?

ক্রীড়া ডেস্ক, ঢাকা প্রতিদিন.কম ৩০ এপ্রিল : ‘যতদিন সরকারি হাসপাতালে একজন রোগীও বিছানা না পেয়ে ফ্লোরে শুয়ে কষ্ট করে চিকিৎসা নেবেন, ততদিন ক্রিকেট খেলার পেছনে কোটি কোটি টাকা খরচ করা বিলাসিতা মাত্র।’- এমন বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

অনেকেই মাশরাফির এমন সাহসী বক্তব্যের ব্যাপক প্রশংসা করেছেন। কিন্তু এ বক্তব্যের কোনো ভিত্তি পাওয়া যায়নি।

তবে অনেকেই মাশরাফির এ বক্তব্যটি যাচাই-বাছাই না করে এটি ফেসবুকে ব্যাপক হারে শেয়ার করে ভাইরাল করেন।

এ ব্যাপারে বিষয়টি নিশ্চিত হতে মাশরাফি বিন মুর্তজাকে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি। মাশরাফি বিন মুর্তজার মোবাইলে খুদে বার্তা (এসএমএস) প্রেরণ করা হলেও তিনি এ বিষয়ে সাড়া দেননি।

প্রসঙ্গত, জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই নড়াইলের জনসাধারণের কল্যাণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা।

সম্প্রতি নড়াইল আধুনিক সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে যান বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের এই অধিনায়ক ও সংসদ সদস্য। হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়মের পাশাপাশি অনুন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মাশরাফি।

প্রসঙ্গত, ২৫ এপ্রিল বিকালে আকস্মিকভাবে সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে যান নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজা। এ সময় কর্তব্যরত কয়েকজন চিকিৎসকের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর না দেখে তিনি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুস শাকুর এবং পরে অনুপস্থিত সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. আকরাম হোসেনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলেন।

বিভিন্ন ওয়ার্ডে রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের কাছ থেকে নানা ধরনের সমস্যার কথাও শোনেন মাশরাফি। তিনি এ সময় হাসপাতালের বিভিন্ন অব্যবস্থাপনার চিত্র দেখতে পান।

পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতালের কর্মকর্তাদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভা করেন। সভায় এমপি মাশরাফি বেশ কিছু বিষয়ে দিক নির্দেশনাও দেন।

এদিকে ওই হাসপাতালে দায়িত্বে অবহেলার কারণে চার চিকিৎসককে ওএসডি করা হয়েছে।

ঢাকা প্রতিদিন.কম/এআর

Loading...

Check Also

আমাদের খুব বাজে অভিজ্ঞতা হয়েছে: মাহমুদউল্লাহ

ক্রীড়া ডেস্ক, ঢাকা প্রতিদিন.কম : ভারত সফরে টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দেয়া মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *