Home / জেলার খবর / আশুলিয়া থেকে উদ্ধারকৃত ৭ খন্ড মৃতদেহের মস্তক উদ্ধার

আশুলিয়া থেকে উদ্ধারকৃত ৭ খন্ড মৃতদেহের মস্তক উদ্ধার

সাভার প্রতিনিধি: সাভারের আশুলিয়ার নিন্ডিন্তপুর পূর্বপাড়া আমেনা মসজিদের কাছে রাস্তার উপর থেকে পলিথিনে ভর্তি অবস্থায় এক পোশাক শ্রমিকের ৭ খন্ড মৃতদেহ উদ্ধারের পর এবার তার মস্তক উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা জামাকাপড়, হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছোড়াসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে আশুলিয়া থানা পুলিশ নিন্ডিন্তপুর এলাকার আলী খাঁর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে একটি কক্ষের ড্রামের ভিতর থেকে ভিতর থেকে খন্ডিত মস্তকটি উদ্ধার করা।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ রিজাউল হক দিপু বলেন, আটককৃত মানিকের দেয়া তথ্য মতে বৃহস্পতিবার বিকেলে নিন্ডিন্তপুর এলাকার আলী খাঁর ভাড়া বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় একটি তালাবদ্ধ কক্ষের ভিতর থেকে নিহত যুবকের রক্তমাখা জামাকাপড়, হ্যাকান্ডে ব্যাবহৃত ধারালো অস্ত্র এবং বিচ্ছিন্ন মস্তকসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, নিহত মেহেদি হাসান একটি এমএলএম কোম্পানির প্রতারণার শিকার হয়েছে। পঞ্চাশ হাজার টাকার বিনিময়ে তাকে দ্রæত বড়লোক বানানোর কথা বলে ভিশন এইড নামে একটি এমএলএম কোম্পানিতে ভর্তি করা হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন পার হলেও সেখান থেকে অর্থ না আসায় তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। ধারণা করা হচ্ছে এ ঘটনার জের ধরেই পোশাক শ্রমিক মেহেদি হাসান টিপুকে হত্যা করে লাশটি গুম করার জন্য টুকরো টুকরো করে ফ্লাস্টিকের ড্রামে ভরে বরফ দিয়ে রাখা হয়। পরবর্তীতে রাতের আধাঁরে সুযোগ বুঝে মৃতদেহটি পার্শ্ববর্তী রাস্তায় ফেলে দেয়া হলেও মস্তকটি ড্রামের ভিতরে থেকে যায়। প্রাথমিকভাবে নিহতের স্ত্রী মৃতদেহটি এবং উদ্ধারকৃত মস্তকটি তার স্বামীর বলে দাবি করলেও এগুলো ডিএনএ টেস্টের জন্য ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হবে। পরবর্তীতে মৃতদেহ এবং উদ্ধারকৃত মস্তকের সাথে পরিবারের সদস্যদের ডিএনএ মিলে গেলেই পরিচয় সম্পর্কে নিন্ডিত হওয়া যাবে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, গত সোমবার সকালে আশুলিয়া নিন্ডিন্তপুর এলাকার আমেনা মসজিদের পাশে নিন্ডিন্তপুর-কাশিমপুর আঞ্চলিক সড়কের উপর পলিথেনের ব্যাগে ৭ টুকরো মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সে নিন্ডিন্তপুর এলাকার পারভিন ভিলার ভাড়াটিয়া ও স্থানীয় অনন্ত গার্মেন্টসের পোশাক শ্রমিক স্বপ্না বেগম মৃতদেহটি তার স্বামী মেহেদি হাসান টিটুর বলে দাবি করেন। পরর্বীতে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ মানিক নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেন। নিহত টিটু যশোরের বাঘারপাড়া থানাধীন অন্তরামপুর গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিকির ছেলে। সে স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঢাকা প্রতিদিন ডটকম/১৫ নভেম্বর/এসকে

Loading...

Check Also

মক্কায় ঢাকা পুলিশ হেডকোয়ার্টারের জয়েন্ট কমিশনারকে সংবর্ধনা

মক্কা (সৌদি আরব) প্রতিনিধি মক্কায় ঢাকা পুলিশ হেডকোয়ার্টারের জয়েন্ট কমিশনারকে (ক্রাইম) শেখ নাজমুল আলমকে সংবর্ধনা ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *