Home / অর্থ-বাণিজ্য / বরিশালে সবজির বাজার স্থিতিশীল

বরিশালে সবজির বাজার স্থিতিশীল

বরিশাল ব্যুরো : সপ্তাহের ব্যবধানে নগরীর বাজারগুলোতে ডিমের দাম হালিতে প্রায় ৫-৭টাকা বেড়েছে। তবে বেশির ভাগ সবজির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। সেই সঙ্গে কমে যাওয়া পেঁয়াজের দামও বেড়েছে। গতকাল শুক্রবার নগরীর চৌমাথা বাজার, বটতলা বাজার, সাগরদী বাজার, নতুন বাজার, বাংলা বাজার, এবং নথুল্লাবাতসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার কারণে ডিমের চাহিদার তুলনায় কম থাকায় এমনটি হতে পারে। তা ছাড়া ফার্মে ডিমের সরবরাহ কম থাকার কারণে দাম বাড়তে পারে। ফার্মের ডিমের হালি ৩৫-৩৭ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। যা গত সপ্তাহে আগে বিক্রি হয়েছে ২৮-৩০টাকা হালিতে। দেশি মুরগীর ডিমও ৫ টাকা বেড়ে ৫০-৫৫ টাকা হালিতে বিক্রি হচ্ছে। ৭টাকা হালিতে বেড়ে হাসের ডিম ৫০-৫৫ টাকায়। জি। হঠাৎ করে ২ সপ্তাহ ধরে ডিমের দাম বাড়ার বিষয়ে চৌমাথা বাজারের ডিম ব্যবসায়ী সালাম সরদার বলেন, ফার্মে ডিমের সরবরাহ কিছুটা কম। তাছাড়া নিষেধাজ্ঞা কারণে মাছের সরবারাহ না থাকায় ডিমের উপর প্রভাব পড়েছে। এজন্যই হয়তো চাহিদার চেয়ে সরবরাহ কম। আর সরবারাহ কমার কারণে দাম বাড়তি। এই ব্যবসায়ী আরও বলেন, ডিমের দাম ২ সপ্তাহে ধরে বাড়তি , আরও কমবে না বাড়বে ১ সপ্তাহ গেলে বোঝা যাবে। অন্যদিকে, অধিকাংশ সবজির সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। পটল, ঝিঙা, ধুন্দল, চিচিঙ্গা, বেগুন, ঢেঁড়স, করলাসহ প্রায় সব সবজিই বাজারে ভরপুর। যে কারণে সবজির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকা কেজি। যা গত সপ্তাহে ছিল ১০০ টাকা কেজি। পেয়াজের বাজারে কেজি প্রতি ৫ টাকা বাড়তি দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে বটতলা বাজারের এক মুদি ব্যবসায়ী বলেন, আড়তে পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। তাই আমাদেরও বাড়তি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে। গত সপ্তাহে আমদানি করা পেঁয়াজ ২৫ টাকা দেশি পেঁয়াজ ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছি আজ তা ৩০ টাকায় দেশি পেঁয়াজ ৫০ টাকায় কেজি দরে বিক্রি করতে হচ্ছে। এদিকে বাজার ও মানভেদে প্রতি কেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা যা আগের সপ্তাহে ছিল ৫০-৬০ টাকা। গত সপ্তাহে ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া চিচিঙ্গার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বেগুন আগের সপ্তাহের মতোই ৩০-৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে ৩৫-৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া পটল ও ঢেঁড়সের দাম কমে ৩০-৪০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। করলা আগের সপ্তাহের মতোই ৪০-৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। গত কয়েক সপ্তাহের মতো এখনো বাজারে সব থেকে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে গাজর,১০০ টাকা,শিম ৯০ টমেটো ১০০ টাকায় প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে। সবজির দামে মিশ্র প্রবণতা থাকলেও শাকের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। আগের সপ্তাহের মতো লাল শাক, পাট শাক, কলমি শাক ১০-১৫ টাকা আটি বিক্রি হচ্ছে। আর পুঁইশাক ও লাউ শাক বিক্রি হচ্ছে ২০-৩০ টাকা । গত সপ্তাহে ২০০-২১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া কক মুরগির দাম কিছুটা কমে ২১০-২২০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। তবে দাম অপরিবর্তিত রয়েছে সাদা ব্রয়লার মুরগির। আগের সপ্তাহের মতো ব্রয়লার মুরগি ১১৫-১২৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস প্রতিকেজি ৫০০ টাকা, খাসির মাংস ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। নতুন বাজার ব্যবসায়ী রাজু মিরা বলেন, কাঁচামালের দাম নির্ভর করে আড়তের ওপর। আড়তে মাল বেশি আসলে দাম স্বাভাবিক ভাবেই কম থাকে। আবার আড়তে মালের ঘাটতি থাকলে দাম বেড়ে যায়। এখন আড়তে গেলেই পছন্দ মতো যেকোনো সবজি আনা যাচ্ছে না। যে কারণে আমরাও কিছুটা বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

ঢাকা প্রতিদিন ডটকম/২০ অক্টোবর/এসকে

Loading...

Check Also

রাঙ্গামাটিতে দুই দিনব্যাপী কঠিন চীবর দান শুরু

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : রাঙ্গামাটি রাজবন বিহারে দুই দিনব্যাপী বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের দানোত্তম কঠিন চীবর দান শুরু ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *