Home / বিনোদন / নির্মাণে যাচ্ছে ‘ওমর ফারুকের মা’

নির্মাণে যাচ্ছে ‘ওমর ফারুকের মা’

বিনোদন প্রতিবেদক : ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ওমর ফারুকের মা’। সেপ্টেম্বর থেকে চলচ্চিত্রটির নির্মাণ কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করেন চলচ্চিত্রটির নির্মাতা এম এম জাহিদুর রহমান বিপ্লব। সংবাদ সম্মেলনে চলচ্চিত্রটির কলাকুশলীদের নাম ঘোষণা করেন নির্মাতা বিপ্লব।

তিনি জানান, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একটি ঘটনার ছায়া অবলম্বনে এ চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য লিখেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত কাহিনীকার মাসুম রেজা। পিরোজপুরের জেলার আমড়াঝুড়ি কাউখালী উপজেলার আশোয়া আমড়াঝুড়ি নামক স্থানের একজন মুক্তিযোদ্ধা ওমর ফারুক আর তার মায়ের গল্পে নির্মিত হবে চলচ্চিত্রটি।

চলচ্চিত্রটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে ওমর ফারুকের মায়ের ভূমিকায় দিলারা জামান, ৭১-এ শহীদ ওমর ফারুকের ভূমিকায় কাজ করছেন সাঈদ বাবু।

তাছাড়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগুলিতে অভিনয় করছেন বন্যা মির্জা- সাহেদ শরীফ খান, খাইরুল আলম সবুজ, নাজনীন হাসান চুমকি, সালমা রহমান, আইনুন পুতুল,রিপন চৌধুরী, কাজী রাজু, সৈয়দ শুভ্র, মুকুল সিরাজ, এ বি এম মোতাহারুল ইসলাম,প্রণব ঘোষ, রোশেন শরিফ ও তুহিন আহমেদ সহ আরো অনেকে।

চলচ্চিত্রের গল্পে দেখা যাবে, ওমর ফারুক তখন ২১ বছরের তরুণ, ছিলেন পিরোজপুর সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি। যুদ্ধের সময় এক রাতে মাকে কথা দিয়ে গিয়েছিলেন, রাতে ফিরে মায়ের হাতে ভাত খাবেন। ওমর ফারুকের আর ফেরা হয়নি। সেই রাতে তিনি পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে ধরা পড়েন। তার কাছে বাংলাদেশের সাতটি পতাকা পায় পাকিস্তানি সেনারা। হানাদার বাহিনীর হাতে মৃত্যু হয় ফারুকের। হাতুড়ি পেটা করে একটি পতাকা ঢুকিয়ে দেওয়া হয় তার মাথায়। শহীদ ওমর ফারুকের লাশ ভাসিয়ে দেওয়া হয় কীর্তনখোলার জলে।

এরপর ৪৬ বছর পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি ওমর ফারুকের মায়ের অপেক্ষা। মা আজও ছেলের অপেক্ষায় তিনবেলা হাড়িতে ভাত বসান, রাতে সদর দরজা খোলা রাখেন ছেলের অপেক্ষায়; ছেলে আসবে সেই বিশ্বাসে।

নির্মাতা জানান, ছবিটির প্রি-প্রোডাকশনের কাজ চলছে। শিগগিরই শিল্পী ও কলাকুশলীদের তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। শুটিংয়ের তারিখ ঠিক হয়েছে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি। দৃশ্যধারণ হবে পিরোজপুর ও বরিশালের বিভিন্ন লোকেশনে।

তিনি বলেন, চলচ্চিত্রটির লোকেশন দেখতে প্রথমবারের মতো পিরোজপুর ও বরিশাল যাওয়ার অভিজ্ঞতা ও প্রাপ্তি দুটোই অনেক ভালো। গল্পের সাথে সঙ্গতি রেখে মনের মতো লোকেশন পেয়েছি। চলচ্চিত্রটির মূলভাবনা, গল্প, প্রযোজনা, পরিচালনা, ক্যামেরা পরিচালনা ও সিনেমাটোগ্রাফি জাহিদুর রহমান বিপ্লবের নিজের। নির্মাতা জানান, চলচ্চিত্রটি নিয়ে তিনি খুবই আশাবাদী।

ঢাকা প্রতিদিন ডটকম/০৯ সেপ্টেম্বর/এসকে

Loading...

Check Also

আসছে জয়ার বিউটি সার্কাস

বিনোদন প্রতিবেদক : বেশ ফুরফুরে মেজাজেই সময় পার করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। কারণ সম্প্রতি ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *