Home / অর্থ-বাণিজ্য / আশুগঞ্জ সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ, ব্যাহত সার উৎপাদন

আশুগঞ্জ সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ, ব্যাহত সার উৎপাদন

আব্দুর রহমান বুলবুল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে : যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। কারখানা বন্ধ থাকায় প্রতিদিন ১২শ টন ইউরিয়া সার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। গতকাল শুক্রবার রাতে কারখানার এ্যামোনিয়া প্লান্টের বয়লারের বিয়ারিং ভেঙে গেলে তাৎক্ষণিক বিকট শব্দ হয়ে কারখানার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। গ্যাস সংকটের কারণে দীর্ঘ ১৪ মাস বন্ধের পর গত জুলাই কারখানার উৎপাদন শুরু হয়।

আশুগঞ্জ সার কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ শাহ কামরান জানান, প্লান্টের ত্রুটির কারণে কারখানার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। কারখানা বন্ধের পর থেকে স্থানীয় প্রকৌশলীরা মেরামত কাজ শুরু করে দিয়েছে। কারখানা উৎপাদনে আসতে অন্তত ৫ দিন সময় লাগবে। তবে কারখানার উৎপাদন বন্ধ খাকলেও কমান্ড এরিয়াভুক্ত জেলায় সার সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন কারখানা বন্ধ থাকলে কারখানার যন্ত্রাংশ মরিচা ধরে নষ্ট হয়ে যায়। গ্যাস সরবরাহ শুরুর পর পুনরায় কারখানা চালু করতে যন্ত্রাংশ মেরামত শেষে উৎপাদন শুরু করতে দীর্ঘদিন সময় লাগে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে কারখানার বিভিন্ন যন্ত্রাংশে ত্রুটি থাকে এবং চালুর পর কারখানার নানা ক্রটি দেখা দেয়। কারখানাটি ১৬শ টনের উৎপাদন ক্ষমতা থাকলেও গ্যাস সরবরাহ বন্ধের জন্য প্রতি বছরের অন্তত অর্ধেক সময়ই কারখানার উৎপাদন বন্ধ রাখতে হয়। এতে করে কারখানা আয়ুস্কেল ও যন্ত্রাংশের ত্রুটির কারণে কারখানার সার উৎপাদন এখন ১২শ’ টনে এসে দাঁড়িয়েছে। কারখানার শ্রমিক-কর্মচারীরা মনে করেন কারখানাটি সার্বক্ষণিত গ্যাস সরবরাহ দিয়ে সচল রাখতে পারলে কারখানাটি ১২শ’ টন পর্যন্ত উৎপাদন অব্যাহত রাখা সম্ভব। যদি বছরের অর্ধেকের বেশি সময় ধরে কারখানার গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকলে কারখানার যন্ত্রাংশে নানা ত্রুটি দেখা দিয়ে উৎপাদন আরো কমে যাবে। আর কারখানায় কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীদের আর্থিকভাবে মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।

ঢাকা প্রতিদিন ডটকম/১৪ জুলাই/এসকে

Loading...

Check Also

সৎ কর্মকর্তার সন্ধানে নেমেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক : এবার সৎ কর্মকর্তার সন্ধানে নেমেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সার্কুলার জারি করে সৎ কর্মকর্তা ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *