Home / অর্থ-বাণিজ্য / পিপিপিতেই খানজাহান আলী বিমানবন্দর

পিপিপিতেই খানজাহান আলী বিমানবন্দর

অর্থনীতি ডেস্ক, ঢাকা প্রতিদিন.কম ১১ জুলাই : সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে (পিপিপি) বাগেরহাটের রামপালে তৈরি হচ্ছে খানজাহান আলী বিমানবন্দর। এটি বাস্তবায়ন করা গেলে মোংলা বন্দর, মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল, মোংলা ইপিজেড এবং রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ লক্ষ্যে জমি অধিগ্রহণের জন্য লিংক প্রকল্প হিসেবে হাতে নেয়া প্রকল্পটি সংশোধনের প্রস্তাব করেছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। ফলে প্রকল্পের ব্যয় কমে যাচ্ছে। তবে মেয়াদ বাড়ছে আরও দুই বছর।

মঙ্গলবার ‘পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় বাস্তবায়িতব্য খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণ প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণের জন্য লিংক প্রকল্প’ নামের এ প্রকল্পটির প্রথম সংশোধনী প্রস্তাব উঠছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায়।

সংশোধনের কারণ হিসেবে বলা হয়েছে- প্রকল্পটি প্রথমদিকে সরকারের নিজস্ব তহবিলের অর্থে বাস্তবায়নের কথা ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে পিপিপির আওতায় বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ফলে প্রাথমিক পর্যায়ে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫৪৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

বর্তমানে শুধু ভূমি অধিগ্রহণের ব্যয় বাবদ ধরা হচ্ছে ২১৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। ফলে মূল প্রকল্পের তুলনায় ব্যয় কমে যাচ্ছে ৩২৭ কোটি ২৬ লাখ টাকা। অন্যদিকে ব্যয় কমলেও বাড়ছে মেয়াদ। ২০১৫ সালের জুলাই থেকে ২০১৮ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা ছিল।

কিন্তু সেটি না হওয়ায় এখন নতুন করে ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত অর্থাৎ দুই বছর মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, মূল প্রকল্পটির নাম ছিল ‘খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণ’। এখন পিপিপিতে বাস্তবায়ন হবে বলে প্রকল্পটির নামও পরিবর্তন করা হয়েছে।

একনেকের জন্য তৈরি করা প্রকল্পের সার-সংক্ষেপে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য জুয়েনা আজিজ উল্লেখ করেছেন, প্রকল্পটির ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া বাস্তবায়িত হলে খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণের মাধ্যমে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ ঘটবে।

এছাড়া অভ্যন্তরীণ গুরুত্বপূর্ণ বিভাগীয় শহরের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং একই সঙ্গে দেশের প্রধান শহরগুলোর মধ্যে আকাশপথে যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হবে। ফলে আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে।

সূত্র জানায়, মূল প্রকল্পটি সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়নের জন্য ২০১৫ সালের মে মাসে একনেকে অনুমোদন দেয়া হয়। পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রকল্পটি পিপিপির আওতায় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হিসেবে গ্রহণের জন্য নীতিগত অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়।

ঢাকা প্রতিদিন.কম/এআর

Loading...

Check Also

মাশরাফির স্মরণীয় ম্যাচে বাংলাদেশের জয়

ক্রীড়া ডেস্ক, ঢাকা প্রতিদিন.কম ১০ ডিসেম্বর : মাশরাফি বিন মুর্তজার মাইলফলকের ম্যাচে জয়ে সিরিজ শুরু ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *