Home / জাতীয় / ঘুষ-দুর্নীতির বেড়াজালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার
ঘুষ-দুর্নীতির বেড়াজালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার

ঘুষ-দুর্নীতির বেড়াজালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার

# মাদক কেনাবেচায় জড়িত কারারক্ষীরা
# টাকায় মেলে বন্দিদের সুযোগ-সুবিধা
# পান থেকে চুন খসলেই চলে জুলম-নির্যাতন

এসএম দেলোয়ার হোসেন, ঢাকা : পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের সেই পুরাতন কারা ফটকে মেটালের ওপর সোনালী হরফে লেখা- ‘রাখিব নিরাপদ, দেখাব আলোর পথ’। আর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে স্থানান্তরিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের মূল প্রবেশদ্বার ও বাইরের কারা ক্যান্টিনসহ কয়েকটিস্থানে দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণে সুন্দর হরফে ‘আমি ও আমার অফিস দুর্নীতিমুক্ত’ লেখা সাইনবোর্ড ঝুলিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।

কারাগারের ভেতর-বাইরে তাদের অনিয়ম-দুর্নীতি এখন অনেকটাই ওপেন সিক্রেটে পরিণত হয়েছে। কতিপয় অসাদু কর্মকর্তা-কর্মচারির কার্যকলাপে ম্লান হয়ে গেছে কারা কর্তৃপক্ষের ভাল যা কিছু অর্জন। টাকা ছাড়া কারাগারের ভেতরে মেলেনা বন্দিদের কোনো সুযোগ-সুবিধা। মরণ নেশা ইয়াবাসহ যেকোনো ধরণের মাদক কেনাবেচা হয় কারাগারের ভেতর। আর মাদক কেনাবেচায় খোদ জড়িত রয়েছে কতিপয় অসাদু কারারক্ষী ও কারা কর্মকর্তারা। টাকার কাছে কারাগারের সকল বিধিই এখন নতজানু। চাহিদার টাকা যথা সময়ে না পেলে পান থেকে চুন খসলেই বন্দিদের ওপর নেমে আসে জুলুম-নির্যাতন। নবনির্মিত এ কারাগারটিতে পদে পদে চলছে অবৈধ ঘুষের লেনদেন। সম্প্রতি কারাগারে এসব অনিয়ম-দুর্নীতি ও বন্দিদের দুরবস্থা এবং অব্যবস্থাপনা রোধ সংক্রান্ত একাধিক প্রতিবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছেন সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থা। কিন্তু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে কারা মহাপরিদর্শককে এ বিষয়ে আরো সতর্কতার সাথে দায়িত্ব পালনের দিক-নির্দেশনা দেয়া হলেও তা আমলেই নিচ্ছে না স্থানীয় কারা কর্তৃপক্ষ। কারাগার ঘুরে ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের তেঘড়িয়া ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুরে ৩১ একর জমিতে গড়ে ওঠা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে চলছে ব্যাপক ঘুষ বাণিজ্য, দুর্নীতি আর অনিয়ম। কারাগারের প্রধান ফটকের অদুরে রয়েছে বন্দিদের সাথে সাক্ষাতপ্রার্থীদের নাম-ঠিকানা লেখার একটি বেঞ্চ। মূলত সেখান থেকেই শুরু অনিয়ম আর ঘুষ বাণিজ্য। ওই বেঞ্চের দায়িত্বরত কারারক্ষীদের ধীর গতিতে নাম নিবন্ধন করার পাশাপাশি চলতে থাকে দালালদের দেনদরবার।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কারারক্ষী জানান, সম্প্রতি রাজধানীজুড়ে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের কারণে প্রতিদিনই কারাগারে বন্দির সংখ্যা বাড়ছে। আর তাদের দেখতে হাজার হাজার দর্শনার্থী কারা ফটকে ভিড় করছে। কারাগারের মূল ফটক থেকে ভেতরে প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকার ঘুষ বাণিজ্য হয়। বেশির ভাগ সময়ে অফিস শুরুর আগে ও শেষে। তারা আরো জানান, সকাল ৮টার আগে এবং বিকেল ৫টার পরে এ বাণিজ্য সবচেয়ে বেশি জমজমাট থাকে। তাদের মতে, বন্দীর সঙ্গে সাক্ষাৎ, হাসপাতালে থাকা, আসামির জামিন, বন্দী রোগী বাইরের হাসপাতালে পাঠানো, পুনরায় গ্রেফতার, খাবার বা টাকা পাঠানো, মালামাল তল্লাশি করাসহ সবক্ষেত্রেই অবৈধ অর্থ বাণিজ্য চলছে কারাগারের ভেতর-বাইরে। তারা বলেন, গড়ে প্রতিদিন নূন্যতম ১ হাজার সাক্ষাৎপ্রার্থী বন্দিদের সাথে সাক্ষাত করে থাকেন। সাক্ষাৎকার কক্ষটি ৫ জন কারারক্ষীর কাছে এক মাসের জন্য ৬০-৭০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। এরপর যা বাণিজ্য হয় তা ভাগ করে নেন কারারক্ষীরা। এর একটি অংশ চলে যায় ঊর্ধ্বতন কারা কর্মকর্তাদের পকেটে।

এদিকে গত বছর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এ কারাগারটির প্রধান সমস্যা হলো সাক্ষাৎ বাণিজ্য, অবৈধভাবে কারাগারে কয়েদিদের কাছে টাকা পাঠানো এবং কয়েদিদের মুঠোফোনের ব্যবহার। নিষেধাজ্ঞা থাকলেও কারা কর্তৃপক্ষের সহায়তায় রসিদের মাধ্যমে টাকা পাঠানো হচ্ছে। কয়েদিদের মুঠোফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ভেতরে দায়িত্বরত কারারক্ষীদের সহায়তায় মুঠোফোনে কথা বলেন বন্দিরা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ওই প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, সাক্ষাৎপ্রার্থীদের কাছ থেকে ২শ’ টাকা ফি নিয়ে একটি রসিদ দেওয়া হয়। অথচ সাক্ষাৎপ্রার্থীদের কাছ থেকে দর্শনার্থী ফি বাবদ ২শ’ টাকা নেয়ার সরকারি কোনো নির্দেশনা নেই। এসব অনৈতিক কাজের সঙ্গে চার কারারক্ষী জড়িত। ইতিমধ্যে তাদের বিভিন্ন কারাগারে বদলি করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার জাহাঙ্গীর কবির বলেন, আগে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে এসব দুর্নীতি কিছুটা ছিলো, ব্যবস্থাপনায় সমস্যা ছিলো। কিন্তু কেরানীগঞ্জে এ ধরনের কোনো অনিয়ম বা বাণিজ্য নেই। বিশেষ করে মাদক বা সাক্ষাৎকার নিয়ে কোনো বাণিজ্য হচ্ছে না। উচ্চপর্যায় থেকে সন্দেহভাজনদের ওপর নজরদারি রয়েছে। তবে অনাকাঙ্খিতভাবে দু’একটি ঘটনা ঘটতে পারে, সে ক্ষেত্রে আসামিরাও এসব অবৈধ সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করে বলে দাবি করেন কারাগারের ওই কর্মকর্তা।

গত দু’দিন কারাফটকের বাইরে ঘুরে দেখা গেছে, মাদকসহ বিভিন্টন মামলায় আটক বন্দিদের খোঁজ-খবর নিতে ও সাক্ষাৎ পেতে ভিড় করেছেন অনেক নারী-পুরুষ ও শিশু-কিশোর। দেখা গেছে, কারা ফটকের বাইরে বিভিন্ন স্থানে জটলা করে কথিত দালালদের সাথে দেনদরবার করছেন সাক্ষাৎপ্রার্থীরা। কারা ফটকে অপেক্ষমান হাজতি ও কয়েদিদের স্বজনেরা বলেন, স্বজনকে একটু দেখলে ভালো লাগে। টিকিট কেটে দূর থেকে ছায়াও দেখা যায় না, কথাও বলা যায় না।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, সম্প্রতি কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতর ও বাইরের বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্য সংক্রান্তে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেছে সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থা। ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে জামিন শাখা, কারা হাসপাতাল, খাবার ক্যান্টিন, বিভিন্ন ওয়ার্ড ও অন্য কারাগারে বদলির ভয় দেখিয়ে বন্দি ও তাদের স্বজনদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন কারাগারের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারিসহ কারারক্ষীদের বিশাল একটি সিন্ডিকেট। এছাড়া টাকার জন্য বন্দিদের শারীরিকভাবে নির্যাতনেরও অভিযোগ করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।

গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কারা হাসপাতালের সুরমা বিল্ডিংটি মেডিকেল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। যেকোনো আসামি বা কয়েদি ১২ হাজার টাকা দিলে সেখানে ভর্তি হতে পারেন। ওই হাসপাতালে অসুস্থ রোগীর চাইতে সুস্থ রোগীর সংখ্যাই বেশি। সেখানে থাকা প্রত্যেক আসামিকে চিকিৎসক বাবদ প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা, সার্ভিস চার্জ ২ হাজার টাকা এবং খাবারের খরচ বাবদ ৬-৭ হাজার টাকা দিতে হয়। হাসপাতালের রাইটার রবিন ও রহিমের মাধ্যমে এ টাকা সংগ্রহ করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, কারাগারের বাইরের হাসপাতালে ভর্তি হতে একজন আসামিকে ৩০-৩৫ হাজার টাকা খরচ করতে হয়। প্রকৃতপক্ষে যার টাকা আছে অথবা উপর থেকে ফোন করানোর ক্ষমতা আছে তারা অসুস্থ হোক বা না-ই হোক বাইরের হাসপাতালে ভর্তি হতে পারেন। যাদের টাকা নাই তারা গুরুতর অসুস্থ হলেও বাইরে যেতে পারেন না, গেলেও হাসপাতালে ভর্তি হতে পারেন না। সুস্থ রোগীদের হাসপাতালে থাকার বিষয়ে ইতোমধ্যে একটি গোয়েন্দা সংস্থা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত একাধিক চিঠি ও প্রতিবেদন পাঠিয়েছে। এসব প্রতিবেদনে হত্যা মামলার আসামি সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা, যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী তোফায়েল আহমেদ জোসেফ ও ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীনের নাম উল্লেখ ছিলো। সম্প্রতি উন্নত চিকিৎসার নামে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে কারাগার থেকে মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি হন মাদক মামলার আসামি সাগর। অতঃপর হাসপাতালে বসে মোবাইল ফোনে মাদক ব্যবসা করতে দেখা যায় তাকে। টাকার বিনিময়ে স্ত্রীকেও সঙ্গী হিসেবে হাসপাতালে পান সাগর। সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে এমন চিত্রও তুলে ধরা হয়েছিলো।

কারাগারের সামনে অপেক্ষমান মাদক মামলার আসামি বন্দি ইমরানের ভাই শাফিন জানান, তার ভাই ইমরান মাদক সেবন ও ব্যবসার অপরাধে কারাগারে। মাদকাসক্তের কারণে তার চিকিৎসার প্রয়োজন, হাসপাতালে ভর্তি করানো দরকার। ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন, ভেতরেই কারা হাসপাতাল রয়েছে। সেখানে ভর্তি হতে ১০ হাজার টাকা চেয়েছে কারাগারের একটি চক্র। পরে বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে ভাইকে সেখানেই ভর্তি করেছেন। এ পর্যন্ত প্রায় ৩০-৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

এদিকে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক কারাগারের এসব অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে বলেন, চিকিৎসাকেন্দ্র হলো আসামিদের সেবার স্থল। কারাগারে আসামিদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনটি যদি সত্য হয়, টাকা লেনদেনের মাধ্যমে সুস্থ বন্দিরা যদি হাসপাতালে অবস্থান করে, তহালে এটা হবে অসুস্থ রোগীদের মৌলিক অধিকার হরণ। আমরা এ ধরনের অভিযোগ আগেও শুনেছি। তা প্রতিকার করা জরুরি। কারাগারে আসামিরা এমনিতেই কষ্টে থাকেন, এরপরও যদি অসুস্থ হয়ে সেবা না পান তাহলে আর কষ্টের সীমা থাকে না। আমি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আরো তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে এবং কারাগারে বন্দিদের চিকিৎসাসেবার মান নিশ্চিতের দাবি করেছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক। টাকার বিনিময়ে আসামিদের কারাগারের বাইরের হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, সুস্থ আসামিরা বাইরের হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে কিনা, সে বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষের তদারকি দরকার। যদি সুস্থরা বাইরে যাওয়ার সুযোগ পায়, সেক্ষেত্রে নিরাপত্তা ঝুঁকি তো থাকে।

প্রতিনিয়তই কারাগারের ভেতর ইয়াবাসহ মাদক ঢুকছে। আর এর পেছনে রয়েছে অসাদু কারারক্ষীসহ কারাগারে কর্মরত কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারি। অভিযোগ রয়েছে, কারাগারের ভেতরে অবস্থিত হাসপাতালে তৈরি হয়েছে একটি সিন্ডিকেট। সেখানকার চিকিৎসক, নার্স ও ফার্মাসিস্টরা এ সিন্ডিকেটের সদস্য। সুস্থ হোক কিংবা অসুস্থ, টাকা লেনদেন হলেই ওই সিন্ডিকেটের সদস্যরা সুস্থ কয়েদিকে অসুস্থ দেখিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে নেন।

কারাগার ও কারা হাসপাতালে ভর্তি সংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্নেল ইকবাল হাসান সাংবাদিক পরিচয় জানতে পেরে তিনি কোনো তথ্য দিতে রাজি হননি। তিনি বলেন, এ বিষয়ে আইজি প্রিজন ভালো বলতে পারবেন।

এদিকে গত ১৮ মার্চ কারা সপ্তাহ-২০১৮ উপলক্ষে কারা সদর দফতরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিনও কারাগারে মাদক প্রবেশ করছে বলে স্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, দেশের কারাগারে যত বন্দি আছে, তার ৩৫ দশমিক ৯ শতাংশ মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। দেশের বিভিন্ন কারাগারে গড়ে ৭৫ হাজার বন্দি আছে।

আইজি প্রিজন বলেন, অভিনব কায়দায় কারাগারে মাদক ঢুকছে। কেউ গিলে মাদক আনছে। শুকনা মরিচের ভেতরে করে আনছে। কেউ আনছে পেঁয়াজের ভেতরে করে।
সৈয়দ ইফতেখার বলেন, আমাদেরও অনেক ভুল-ত্রুটি আছে। কারারক্ষীর সংখ্যাও কম। তিনি বলেন, কারাগারের ভেতর মাদক কেনাবেচা এবং বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি ও কারা বিধি ভঙ্গের কারণে গত ১ বছরে কমপক্ষে ২০ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ঢাকা প্রতিদিন ডটকম/১৩ জুন/এসকে

Loading...

Check Also

শাই হোপের এই ব্যাটেই স্বপ্ন ভঙ্গ টাইগারদের

ক্রীড়া ডেস্ক, ঢাকা প্রতিদিন.কম ১২ ডিসেম্বর : এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জয়ের স্বপ্ন ছিল ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *