Home / অর্থ-বাণিজ্য / বাজারে সবজির রকম-ফের কমেছে

বাজারে সবজির রকম-ফের কমেছে

অর্থনীতি ডেস্ক, ঢাকা প্রতিদিন.কম ১৪ এপ্রিল : শীতকালে বিভিন্ন রকম সবজিতে রাজধানীর খুচরা বাজারগুলোর চেহারা পূর্ণ থাকে। এরই মধ্যে প্রকৃতি থেকে শীত বিদায় নিয়েছে। বাজারে সবজির রকম-ফের কমেছে। তবে বাড়তির দিকে এসব সবজির দাম।

শুরু হয়েছে নতুন বাংলা বছর। আজ পয়লা বৈশাখ। গ্রীষ্মের এই অগ্রিম প্রভাব পড়েছে রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারেও। খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত তিন সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন ধরনের সবজির দাম বাড়ছে। তারা বলছেন, গত এক মাসে বিভিন্ন ধরনের সবজির দাম ১০ থেকে ১২ টাকা বেড়েছে। তবে কোনো কোনো সবজির দাম বেড়েছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। এর মধ্যে গত এক সপ্তাহে বিভিন্ন ধরনের সবজির দাম প্রকারভেদে ৩ থেকে ৫ টাকা বেড়েছে। আবার কিছু সবজির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

শুক্রবার রাজধানীর কমলাপুর ও হাতিরপুল বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় ১০ থেকে ১২ প্রকারের মৌসুমি সবজি এখন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। এসব সবজির দাম কিছুটা বাড়তি হলেও প্রায় সব ধরনের সবজিই সতেজ। বিক্রেতারা বলছেন, সবজির দাম সামনে আরো বাড়তে পারে। সে হিসেবে বর্তমানের দামকে খুব বেশি উচ্চমূল্য বলা যায় না।

কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে। বেগুনের দাম গত এক সপ্তাহে বাড়েনি। কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৫৫ টাকা। এ ছাড়া পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩২ টাকায়, শিম প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, বেগুন (কালো) ৫৫ টাকা, বেগুন (সাদা) ৬২ টাকা টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, করলা ৬০ টাকা এবং মটরশুঁটি ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া মানভেদে প্রতি কেজি নতুন আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে।

খিলগাঁও বাজারের জনৈক দোকানদার জানান, মুদি পণ্যের দাম খুব একটি বাড়েনি গত এক সপ্তাহে। তবে পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে। বাড়তির দিকে রয়েছে রসুনের দাম।

বিভিন্ন ধরনের শাকের আঁটি ২০ থেকে ২৫ টাকা এবং কেজি ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি আঁটি মূলা শাক মিলছে ১০ ও ১৫ টাকায়, লাল শাক ১৫ ও ২০ টাকায়। আমদানি করা মসুরের ডাল কেজি প্রতি ১০০ টাকা এবং দেশি ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে আকার ভেদে প্রতি কেজি রুই মাছ ১৬০-২৫০ টাকা, সরপুঁটি ২৫০-৩৫০ টাকা, কাতলা ১৮০-২৯০ টাকা, তেলাপিয়া ১৩০-১৫০, সিলভার কার্প ২০০-২৫০, চাষের কৈ ২৫০-৩৫০, পাঙ্গাস ১৫০-২৫০, টেংরা ৬০০, মাগুর ৬০০-৮০০ টাকা ও প্রকার ভেদে চিংড়ি ৪০০-৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তবে মাংসের বাজারে তেমন পার্থক্য দেখা যায়নি। প্রতি কেজি গরুর মাংস ৫০০ টাকা, খাসির মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৪০ টাকা, দেশি মুরগি ২৪০ টাকা কেজি, লেয়ার মুরগি প্রতি পিস আকারভেদে ১৫০ থেকে ২২০ টাকা ও পাকিস্তানি মুরগি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ঢাকা প্রতিদিন.কম/এআর

Loading...

Check Also

পরিবেশ দূষণে বছরে ক্ষতি ৫২ হাজার কোটি টাকা

অর্থনীতি ডেস্ক, ঢাকা প্রতিদিন.কম ১৭ সেপ্টেম্বর : বাংলাদেশে প্রতিবছর পরিবেশ দূষণে ৫২ হাজার কোটি টাকার ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *